Friday, 1 December 2017

উপলব্ধি (Likely to feel some...)

                উপলব্ধি (Likely to feel some...)

   বড় অসহায় লাগে! এই জীবনটাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে জীবন তো ফুরিয়ে এল। অথচ কিছুই বোঝা গেল না, কোথা দিয়ে সময় চলে যায়!

    সেদিনেও বুঝতাম না! এখনও বুঝছি না! বেশ আছি, দিব্যি আছি। হাসছি, খেলছি, নাচছি, গাইছি। এভাবেই আনন্দে মজায় বেশ কাটছে সময়। কাটবে পরেও!
উপরওয়ালা ছপ্পড় ফুড়েই দিচ্ছেন, নো ভাবনা-চিন্তা, ডু আড্ডা-ফুর্তীমাঝে মধ্যে চলতে ফিরতে পেন্নাম ঠুকিউপরওয়ালা নির্ঘাৎ বর্তে যান এমন ভক্তি পেয়ে।

  ছুটে চলেছি, চলছি হেঁটে, উড়েও চলি যখন তখন দেদার অবকাশ জীবনে, আনন্দ উপভোগ করিএদিক ওদিক তাকানোর সময় কই! কুঁড়ে, অলস, যারা কাজেকর্মে অসফল, তারা ঘরে বসে হা-হুতাশ করে তাদের দলে নাম লেখাব না। বরং, সব্বাইকে ডাক দিই। এস, এস, বাইরে বেরোও! চারদেওয়ালের সঙ্কীর্ণতা ছেড়ে পথে নামো। দেখবে, হাজার হাজার সফল মানুষ তোমার সঙ্গে রয়েছেন
  কুঁড়েমী করে ঘরে কম্বলমুড়ি দিয়ে গুটিয়ে থাকলে চলবে না।
  এক কদম এগিয়ে এস তুমি, আমরা তোমাকে দু’কদম এগিয়ে দেব।
  মন খারাপ বলে অন্ধকারে মুখ লুকোলে কেউ কি তোমার মন ভালো করে দিতে পারবে! মনটাকে ভালো রাখতে হলে যে মনের আলো জ্বেলে নিতে হবে নিজেকেই।

  এমন কতশত উপদেশ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে, অথচ কাজে তো লাগল না!

  এইজগতে সময় থাকতে সময়ের মূল্য বোঝে কতজন?

  পস্তাতে পস্তাতে দিন যায়, এগিয়ে চলি আরোও শেষের দিকে এগিয়ে!

আলোর বৃত্তের বাইরে এমন ভয়ঙ্কর অন্ধকার থাকে কখনও বুঝতে পারিনি আগে!
উপরওয়ালা যখন দেন ছপ্পড় ফুড়েই দেন। যেমন আনন্দ, তেমন দুঃখও! যেমন খুশির উপহার, তেমনি আঘাতের কষ্টও! নতুন জীবন দিচ্ছেন যেমন, তেমনই জীবন কেড়ে নিচ্ছেন মুহূর্তে! কে বুঝবে তোমার স্বরূপ, হে ঈশ্বর!

আমরা সামান্য মানুষ, তোমাকে বোঝাতে এতবড় আঘাত না দিতেও পারো তো?

   তবে একটু যেন উপলব্ধি জাগছে, সবটাই বুঝি বিফলে যায় না জীবনে!
ভিক্ষা যদি চাইতে হয়, তোমার কাছেই চাই হে ঈশ্বর, যেন বুঝতে পারি সহজেই। তোমাকে যেন দেখতে পাই আলোর মত, তোমাকে যেন চিনতে পারি জলের মত। তোমাকে যেন খুঁজে পাই বন্ধুসখার মত, তোমাকে যেন শিখতে পারি সময়ের মত।
                                   ------

    

No comments:

Post a Comment